বাগেরহাটের চিংড়ি: স্বর্ণসমৃদ্ধ নোনা জলের ঐতিহ্য
কথার কাগজ শ্যামল কথা গবেষণার ধারাবাহিক প্রতিবেদনের অংশ বাগেরহাটের চিংড়ি: স্বর্ণসমৃদ্ধ নোনা জলের ঐতিহ্য বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্র বাগেরহাট জেলা, যার খ্যাতি শুধু ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ, সুন্দরবন বা খান জাহান আলীর স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর জন্যই নয়, বরং এটি পরিচিত আরেকটি কারণে ‘চিংড়ি চাষের রাজধানী’ হিসেবে। বাগেরহাটের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল, নদ-নদী ও খাল-বিলে চিংড়ি চাষের যে স্বর্ণযুগ সৃষ্টি হয়েছে, তা শুধু এ জেলার অর্থনীতিই নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখানকার চিংড়ি স্বাদ, গুণমান ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার কারণে ‘সাদা সোনা’ (white Gold) নামে পরিচিত । বাগেরহাট ও চিংড়ি চাষের ইতিহাস বাগেরহাট জেলার চিংড়ি চাষের ইতিহাস কয়েক দশকের পুরোনো। প্রাকৃতিকভাবে লবণাক্ত পানি প্রবাহিত হওয়ায় এ জেলার মাটিতে চিংড়ি চাষের জন্য এক অনন্য পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ১৯৭০-এর দশকের পর থেকে, বিশেষত ১৯৮০-৯০ এর দশকে বাগেরহাটে বাণিজ্যিকভাবে চিংড়ি চাষ ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট মিলে গড়ে ওঠে চিংড়ির সুবিস্...